দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যক্তি-বন্দনার রাজনীতি থেকে বর্তমান সরকার পুরোপুরি বেরিয়ে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী। তিনি বলেন, সরকার স্তুতির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুন ধারার সূচনা করেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস বা ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সালেহ শিবলী বলেন, ‘অতীতে আমরা দেখেছি, অনুষ্ঠানে কেউ এলে তাকে নিয়ে বন্দনা করতে করতে ১০-১৫ মিনিট সময় ব্যয় করা হতো। কিন্তু বর্তমান সরকার এই স্তুতির রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে একটি নতুন ধারার সূচনা করেছে।’
সরকারের ১৮০ দিনের কাজের হিসাব তুলে ধরার বিষয়ে তিনি বলেন, সারা বিশ্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ১০০ দিনকে ‘হানিমুন পিরিয়ড’ বলা হয়। তবে কোনো সরকারি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তার প্রাথমিক ফলাফল পেতে অন্তত ছয় মাস সময় লাগে। জনগণের সরকার হিসেবে জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা এবং তাদের জানার অধিকার নিশ্চিত করতেই ১৮০ দিনের মাথায় সরকারের কাজের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।
সরকারের বড় সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব বলেন, ‘আমাদের সরকারের একটি বড় সাফল্য হলো নির্বাচনী ইশতেহারের ৩১ দফার প্রতিটি ধরে ধরে বাস্তবায়ন করা। অতীতে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এভাবে ধরে ধরে বাস্তবায়নের কোনো নজির আমরা দেখিনি।’
রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, হাম ও রুবেলার টিকা নিয়ে অসহনীয় পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার দায় বর্তমান সরকারের না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে সন্তান ও স্বজনহারা শোকাহত পরিবারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলে নাগরিকদের প্রতি সরকারের দায়দায়িত্ব থাকে। রাজনীতিতে জবাবদিহিতা ও দায়বদ্ধতার এই সংস্কৃতিকে তিনি সরকারের বড় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
‘কল্যাণমূলক রাষ্ট্র’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য তুলে ধরে সালেহ শিবলী বলেন, সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ সফরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশকে একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান। এ ধরনের রাষ্ট্রে জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের যেমন দায়বদ্ধতা থাকবে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতিও জনগণের দায়িত্ব থাকবে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র তার সামর্থ্য অনুযায়ী সব শ্রেণি-পেশার মানুষের পাশে থাকবে এবং নাগরিকরাও রাষ্ট্রের প্রতি তাদের দায়িত্ব পালন করবে। এমন একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পুরো দল কাজ করে যাচ্ছে।
এমএম/